মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

একনজরে

খুদামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত দেশ গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব উপলদ্ধি করে সমতাভিত্তিক ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে  নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে । মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষক। আর মানসম্মত শিক্ষক গড়ে তোলার নিমিত্তে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় শিক্ষক যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে পারদর্শিতার সূচকসমূহ অর্জন নিশ্চিতকরণে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের মাধ্যমে স্বল্প মেয়াদী বিভিন্নমূখী প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে। ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের কমপক্ষে ০২ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা প্রয়োজন। এছাড়া পিইডিপি-৪ এর আওতায় অন্যান্য বিষয়ে প্রত্যেক বিদ্যালয় হতে কমপক্ষে ০১ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা প্রয়োজন। ২০১9-২০20 অর্থবছরে 6টি বিষয়ের অধিকাংশ ‍ wel‡q প্রত্যেকটি বিদ্যালয় হতে কমপক্ষে ০২ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করছি। ইতোমধ্যে নিয়োগকৃত সকল প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষককে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকগণের নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন ও যোগাযোগ দক্ষতার বিকাশের জন্য লিডারশীপ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন - প্রয়োগ নিশ্চিত করতে ২০১7-২০18 অর্থ বৎসরে 5৬ টি বিদ্যালয় এবং ২০১8-২০১9 অর্থ বৎসরে ৫০ টি বিদ্যালয় এক বা একাধিকবার পরিদর্শন করে একাডেমিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া সিইনএড/ ডিপিএড প্রশিক্ষণ ও বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান শ্রেণিকক্ষে প্রয়োগের পর শিক্ষকগণ তাঁদের পেশাগত ধারণা প্রয়োগে যে ধরণের ঘাটতি অনুভব করেন তা পূরণে শিক্ষক যোগ্যতার আলোকে শিক্ষকগণের চাহিদার ভিত্তিতে চাহিদা ভিত্তিক সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে।শিক্ষকগণের প্রশিক্ষণ চাহিদার আলোকে উপজেলা রিসোর্স সেন্টার চাহিদাভিত্তিক সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের লিফলেট প্রণয়ন ও সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন প্রদান করছে যা ধারাবাহিকভাবে চলমান।শিক্ষার্থীদের শিখন অগ্রগতির স্তর(Level) নির্ণয় করতঃ স্তরভিত্তিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সকল শিশুর শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিতকরণে অত্র ইউআরসির কর্মকর্তাগণ অব্যাহতভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সমতাভিত্তিক ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিক্ষক যোগ্যতার সূচকসমূহ অর্জন নিশ্চিতকরণে ইউআরসির পক্ষ থেকে শিক্ষকগণকে ধারাবাহিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

 

   সমস্য ও চ্যালেঞ্জসমূহ:

  • কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদ শূন্য ( সহকাix ইন্সট্রাক্টর- এর পদ শূন্য)।
  • অর্থবছরের শুরু থেকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, ওরিয়েন্টেশন, সভা ও সেমিনারের বরাদ্দ না পাওয়া।
  • প্রশিক্ষণ পরবর্তী Follow up একাডেমিক তত্ত্বাবধান কার্যক্রমে সকল একাডেমিক তত্ত্বাবধায়কগণের মধ্যে সমন্বয় না থাকা।
  • ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে শিখন শেখানো কার্যাবলী শিক্ষকদের অনীহা ও বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা।
  • একটিমাত্র প্রশিক্ষণ কক্ষ, একাধিক প্রশিক্ষণ কক্ষের সুবিধা না থাকা।
  • পরিচালনার ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও আইসিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পর্যাপ্ত শিক্ষকের ঘাটতি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

  • উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত স্বল্প মেয়াদী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণ চাহিদা সম্বলিত ডাটাবেজ তৈরী করা হবে।
  • প্রণীত স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ ডাটাবেজ অনুসরণ পূর্বক বিধি মোতাবেক বিভিন্ন প্রশিক্ষণে শিক্ষক ডেপুটেশন নিশ্চিত করা হবে।
  • চাহিদাভিত্তিক সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের লিফলেটে/ম্যানুয়াল যাতে শিক্ষক্ষগণের প্রকৃত প্রশিক্ষণ চাহিদার প্রতিফলন ঘটে এজন্য বিদ্যালয়ভিত্তিক সকল শিক্ষকগণের প্রশিক্ষণ চাহিদার ডাটাবেজ তৈরী করা হবে।
  • সকল শ্রেণির সকল বিষয়ের বিষয়ভিত্তিক উপকরণের তালিকা প্রণয়ন ও বিদ্যালয় পর্যায়ে সরবরাহ করা হবে।
  • সমতাভিত্তিক ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করণে যেকোন সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবনী কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।
  •  

2019-20 অর্থ বছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জন সমূহ:

  • লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্বল্প মেয়াদী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান।
  • সকল পরিদর্শনকারী কর্মকর্তাগণের সমন্বিত Follow up পরিদর্শন এবং শিক্ষকগণকে সহায়তা প্রদান।
  • প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান।
  • শিক্ষার্থীদের শিখন অগ্রগতির স্তর নিরূপণ পূর্বক স্তরভিত্তিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সকল শিক্ষার্থীদের শ্রেণিভিত্তিক যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত করা।
  • শ্রেণিভিত্তিক বিষয়ভিত্তিক উকরণের তালিকা প্রণয়ন, উপকরণ তৈরী/সংগ্রহ করতঃ প্রয়োজনীয় উপকরণ সহযোগে জীবন ঘনিষ্ঠ পাঠদান নিশ্চিত করা।
  • প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা উকরণ সমূহের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে ফলপ্রসূ প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করা।
  • বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষকগণের প্রশিক্ষণ ডাটাবেজ হালফিল করা।
  • শিক্ষকযোগ্যতার পরদর্শিতার সূচকের আলোকে শিক্ষকগণের প্রশিক্ষণ চাহিদার ডাটাবেজ তৈরী করা।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)




Share with :

Facebook Twitter